Description
ভূমিকা
এই বইটিতে যে তিনটি নাটক ছাপা হল তা মোটামুটিভাবে ২০১৬-র ১২ই জুলাই থেকে ৩০শে অগাস্টের মধ্যে লেখা। অর্থাৎ প্রায় দেড়মাসে। তিনটি নাটকই লেখা হয়েছিল পুজোসংখ্যার সম্পাদকদের চাপে, কিছুটা তাড়ায় আবার কিছুটা স্ব-ইচ্ছায়। ইচ্ছা বললাম কারণ, সে সময়টায় লিখতে ইচ্ছেও করছিল খুব। কিন্তু অন্যান্য কাজের চাপও ছিল প্রবল। তার মধ্যেই নাছোড় সম্পাদকদের তাগাদা আমাকে দিয়ে পরপর তিনটি নাটক লিখিয়ে নিয়েছিল। এই সুযোগে তাঁদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। ত্রয়ীর প্রথমটি অর্থাৎ ‘বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্ম ৭’-র লেখার সময়কাল ২০১৬-র ১২ই জুলাই থেকে ২৭শে জুলাই। ‘এই সময়’ পত্রিকার শারদসংখ্যার তত্ত্বাবধায়ক ভ্রাতৃপ্রতিম শোভন তরফদার বলেছিলেন একটা নাটক দিতে হবে। সেইমতো নাটকটি লিখতে শুরু করি। তারই মাঝখানে আমাকে বীরসা দাশগুপ্তর একটি বাণিজ্যিক ছবিতে (গ্যাংস্টার) অভিনয় করার জন্য ইস্তাম্বুল যেতে হয়। যেদিন সকালে পৌঁছই, সেইদিনই তুরস্কে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের ব্যর্থ চেষ্টা হয়। কিন্তু গোটা দেশই প্রায় সেদিন অবরুদ্ধ হয়ে যায়। পরদিন দুপুরে যখন খুবই টানাপোড়েন চলছে, তারই মধ্যে পরিচালক সিদ্ধান্ত নেন শ্যুটিং একদিনের জন্য বন্ধ থাকলেও সম্পূর্ণ স্থগিত হবে না। নাছোড় পরিচালকের অনমনীয় মনোভাব দেখে সন্ত্রস্ত অভিনেতা হিসেবে আমি হোটেলের ঘরে ফিরে স্ব-মনোযোগ গণ্ডগোল থেকে অন্যদিকে ঘোরাতে বকেয়া লেখাটি আবার শুরু করি। দু-একদিনের মধ্যে লেখাটি অনেকটা এগিয়ে যায়, এমনকি বিরতি পর্যন্ত ওই লেখার কাঁচা খসড়া হোটেলের ঘরে বসে দুই সহ-অভিনেতা শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় ও অসীম রায়চৌধুরীকে পড়েও শোনাই। এরা দুজনেই মূলত থিয়েটারের মানুষ। এরা উৎসাহ দেওয়াতে শু্যুটিং-এর ফাঁকে ফাঁকে রাতে ফিরে হোটেলে বসে লেখাটি এগোতে থাকে। লেখাটি শেষ হয় অবশ্য ফিরেই। বাকি অংশ ওদের আর সেখানে শোনাতে পারিনি। ফিরে শোভনকে পুরো লেখা দিয়ে নিষ্কৃতি পাই।







Reviews
There are no reviews yet.