Description
কলকাতায় তখনকার এক পরিচিত ইমপ্রেসারিওর আমন্ত্রণে উদয়শঙ্করের নাচ দেখে নৃত্য সম্পর্কে তিমিরবরণের ধারণাই পালটে গেছিল। তাঁর নিজের কথায় ‘নাচ যে এত সুন্দর হতে পারে তা আমার জানা ছিল না।’ উদয়শঙ্করের সঙ্গে তাঁর পরিচয় অচিরেই গাঢ় হয়ে ওঠে। তিমিরবরণের অর্কেস্ট্রা শুনে তাঁকে উদয়শঙ্কর নিজের ট্রুপে আহ্বান করেছিলেন সাদরে। বিশ্বজয়ী নৃত্যশিল্পীর সঙ্গী হয়ে তিমিরবরণ গেছিলেন ইউরোপের পথে। প্রায় সমগ্র পাশ্চাত্য জয় করেছিলেন উদয়শঙ্কর। সেই বিশ্বজয়ের সঙ্গী ও সাক্ষী ছিলেন সংগতকার তিমিরবরণ। নিজের অর্কেস্ট্রা বা কনসার্টের প্রেরণা তিনি পেয়েছিলেন প্রবাদপ্রতিম সংগীতসাধক বাবা আলাউদ্দিন খাঁর কাছ থেকে। প্রথমে সরোদবাদক আমির খাঁ, তারপর পাঁচ বছর বাবা আলাউদ্দিনের শিষ্যত্ব গ্রহণ করে সরোদ শিক্ষা। এই দুর্লভ সুযোগ তাঁর সমগ্র জীবনের সুর ও ধ্বনিকে পালটে দিয়েছিল। উত্তর কলকাতায় বাড়ির সাংগীতিক পরিবেশে লালিত তিমিরবরণ কৈশোরে বাজাতেন ব্যাঞ্জো। চিৎপুর রোডের বিখ্যাত সরোদ প্রস্তুতকারক গোবর্ধন মিস্ত্রি তাঁর হাতে তুলে দেন সরোদ। তারপরে আর তিমিরবরণকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এই শ্রেষ্ঠ তারযন্ত্রটি তাঁর হাতে বেজে উঠেছিল নানা সুরে, নানা রাগে। সে এক স্মরণীয় ইতিহাস। সেই বহুবর্ণী ইতিহাস ও আত্মকথার দ্বৈতবাদনে মুখর এই বই।






Reviews
There are no reviews yet.